Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? কারণ ও সম্পূর্ণ সমাধান
Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? এমন সমস্যায় পড়লে চিন্তার কোন কারণ নেই এই গাইডে ইনডেক্স না হওয়ার প্রধান কারণ সমস্যা সনাক্ত করার উপায় এবং কার্যকর সমাধান ধাপে ধাপে তুলে ধরা হয়েছে।
যদি আপনার ব্লগার পোস্ট গুগল সার্চে ইনডেক্স না হয় তাহলে সঠিক কারণ খুঁজে বের করাই সমস্যা সমাধানের প্রথম ধাপ। চলুন এখন বিস্তারিত জেনে নেই কেন গুগলে ব্লগার পোস্ট হচ্ছে না এবং কিভাবে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
সূচিপত্রঃ Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? কারণ ও সম্পূর্ণ সমাধান
- Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? এর অর্থ কী
- Google-এ Blogger Post Index না হওয়ার প্রধান কারণ গুলো
- Google-এ Blogger Post Index হয়েছে কিনা কিভাবে বুঝবেন
- Google Search Console দিয়ে ইনডেক্স স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম
- Request Indexing কিভাবে করবেন
- Blogger Sitemap Google Search Console-এ সাবমিট করার নিয়ম
- Robots.txt-এর ভুল সেটিং ঠিক করার উপায়
- Custom Robots Header Tags সঠিকভাবে সেট করার নিয়ম
- Noindex Tag সমস্যা শনাক্ত ও সমাধান
- Canonical Tagসমস্যার কারণ ও সমাধান
- ডুপলিকেট কনটেন্টের কারণে ইনডেক্স না হলে করণীয়
- নিম্নমানের কনটেন্ট কিভাবে উন্নত করবেন
- Internal Linking দিয়ে দ্রুত ইনডেক্স হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর উপায়
- Blogger Post Index হতে সাধারণত কত সময় লাগে
- Google-এ Blogger Post Index করার ১০টি কার্যকর উপায়
- সব চেষ্টা করার পরও Google-এ Blogger Post Index না হলে কি করবেন
- শেষ কথাঃ Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না কারণ ও সম্পূর্ণ সমাধান
Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? এর অর্থ কী
Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? এর অর্থ কী? এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা
বলতে পারি যে, Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না বলতে বোঝায় আপনার ব্লগার
এ প্রকাশ করা পোস্টটি গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের ডাটাবেজে এখনো যুক্ত বা সংরক্ষিত
হয়নি। ফলে কেউ পোস্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত কোন শব্দ গুগলে সার্চ করলে আপনার
সেই পোস্টটি সাধারণত সার্চ রেজাল্টে দেখা যাবে না।
সহজ ভাবে বললে আপনি ব্লগারে একটি পোস্ট পাবলিশ করেছেন মানেই সেটি
স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল সার্চে চলে আসবে এমন নয়। গুগলকে প্রথমে আপনার
পোস্টটি ক্রল করতে হয়, প্রশ্নের বিষয়বস্তু বুঝতে হয় এবং উপযুক্ত মনে
হলে সেটিকে ইনডেক্স করতে হয়।
উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি 'গুগলে ব্লগার পোস্ট ইনডেক্স হচ্ছে না' নামে একটি
পোস্ট প্রকাশ করলেন কিন্তু কয়েকদিন পরেও গুগলে পোস্টটির ইউআরএল বা শিরোনাম
লিখে সার্চ করলে সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে ধরে নেয়া যায় পোস্টটি
এখনো গুগলের ইনডেক্সে যুক্ত হয়নি অথবা google সেটিকে ইনডেক্স করার জন্য
উপযুক্ত মনে করেনি।
বিষয়টি বুঝতে এই তিনটি শব্দ জানা গুরুত্বপূর্ণঃ Crawl, Index ও Rank এই তিনটি
বিষয় আলাদা-
Crawl: গুগল বোর্ড আপনার পোষ্টের ইউআরএল খুঁজে বের করে এবং ফেসটি পেজটি
পরিদর্শন করে।
Index: গুগল আপনার পেজের তথ্য বিশ্লেষণ করে নিজের সার্চ ইনডেক্সে সংরক্ষণ করে।
Rank: ইনডেক্স হওয়ার পর কোন নির্দিষ্ট কি ওয়ার্ডের জন্য গুগল সার্চ এ
আপনার পোস্টটি কত নম্বরে প্রদর্শিত হবে।
অর্থাৎ ইনডেক্স না হলে Rankingএর প্রশ্নই আসে না। আবার ইনডেক্স হয়েছে
মানেই পোস্টটি google এর প্রথম পেজে থাকবে এমনটিও নয়। তাই আপনার ব্লগার
পোস্ট গুগলে ইনডেক্স না হলে প্রথমে সমস্যাটির কারণ খুঁজে বের করতে
হবে। এরপর গুগল সার্চ কনসোল এর মাধ্যমে ইউআরএল পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয়
এসইও ও টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে।
Google-এ Blogger Post Index না হওয়ার প্রধান কারণ গুলো
Google-এ Blogger Post Index না হওয়ার প্রধান কারণ গুলো আলোচনা করার পূর্বে
প্রথমেই বলে নেয়া দরকার যে, ব্লগার এ পোস্ট পাবলিশ করার পরেও যদি সেটি গুগল
সার্চে দেখা না যায় তাহলে এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। সব সময় গুগলের
কোন সমস্যা থাকে এমন নয় অনেক সময় ব্লগারের সেটিংস পোস্টের মান টেকনিক্যাল এসিও
বা ক্রোলিং সংক্রান্ত সমস্যার কারণেও পোস্ট ইনডেক্স হয় না।
নিচে google এ ব্লগার পোস্ট ইনডেক্স না হওয়ার প্রধান কারণ গুলো সহজ ভাবে
তুলে ধরা হলোঃ
১। নতুন ব্লগার ব্লগ হওয়া
নতুন ব্লগ বা নতুন ডোমেইন হলে গুগলের কাছে সেটির পরিচিতি তৈরি হতে কিছুটা সময়
লাগতে পারে। গুগল বট নিয়মিতভাবে নতুন ওয়েবসাইট আবিষ্কার এবং ক্রল করে তাই
নতুন ব্লগের পোস্ট সঙ্গে সঙ্গে ইনডেক্স নাও হতে পারে।
২। Google এখনো পোস্টটি Crawl করেনি
আপনি পোস্ট পাবলিশ করলেও Googlebot যদি এখনও সেই URL-এ Crawl না করে
থাকে, তাহলে পোস্টটি Google Index-এ যুক্ত হবে না। বিশেষ করে নতুন ব্লগ বা
যে সব ব্লগে নিয়মিত নতুন কনটেন্ট প্রকাশ করা হয় না, সেখানে Crawl হতে সময়
লাগতে পারে।
৩। Robots.txt-এর ভুল সেটিংস
robots.txt ফাইলে ভুল নির্দেশনা থাকলে Googlebot আপনার পোস্ট Crawl করতে বাধা
পেতে পারে। যেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ URL বা Directory ভুলভাবে Disallow থাকলে
সেটি Index হওয়ার সমস্যা তৈরি করতে পারে।
৪। Noindex নির্দেশনা থাকা
কোনো পোস্ট বা পেজে যদি noindex নির্দেশনা থাকে, তাহলে Google-কে সেই পেজ Search
Index-এ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে পোস্টটি Crawl হলেও Index নাও হতে
পারে।
৫। Google Search Console-এ সঠিকভাবে সেটআপ না করা
আপনার Blog Google Search Console-এ সঠিকভাবে যুক্ত না থাকলে Indexing-এর সমস্যা
শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়। Search Console-এর URL Inspection ব্যবহার করে Google
আপনার নির্দিষ্ট পোস্টটি কীভাবে দেখছে তা পরীক্ষা করা যায়।
৬। পোস্টের Content দুর্বল বা অপর্যাপ্ত হওয়া
অল্প তথ্য, খুব সাধারণ লেখা, অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তি বা পাঠকের জন্য
পর্যাপ্ত উপকার নেই এমন কনটেন্ট গুগলের জন্য কম মূল্যবান হতে পারে। তাই শুধু
পোষ্টের সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে মূল্যবান, তথ্যবহুল ও ব্যবহারকারীর
উদ্দেশ্য পূরণ করে এমন কন্টেন্ট তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।
৭। অন্য Website থেকে কনটেন্ট কপি করা
অন্য ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে হুবহু কন্টেন্ট কপি করলে সেটি ইন্ডেক্সিং এবং Search
performance-এর জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে একই কন্টেন্টের একাধিক কপি
থাকলে গুগল কোন ভার্সন কে প্রধান হিসেবে দেখাবে সেটিও বিবেচনা করে।
৮। Duplicate কনটেন্ট
আপনার ব্লগের একাধিক URL-এ একই বা প্রায় একই কন্টেন্ট থাকলেও ইন্ডেক্সিং সমস্যা
হতে পারে। একই কনটেন্টের বিভিন্ন URL থাকলে গুগল সাধারণত একটি URL কে প্রধান
version হিসেবে নির্বাচন করার চেষ্টা করে।
৯। Internal Linking না থাকা
একটি নতুন পোস্টের সঙ্গে ব্লগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পোস্টগুলোর কোন ইন্টারনাল লিংক
না থাকলে গুগলবোটের জন্য সেটি খুঁজে পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হতে পারে। তাই
প্রাসঙ্গিক পুরনো পোস্ট থেকে নতুন পোস্টে ইন্টার্নাল লিংক দেওয়া ভালো অভ্যাস।
১০। Sitemap-এর সমস্যা
Sitemap google-কে আপনার ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ণ URL সম্পর্কে জানতে সাহায্য
করে। Sitemap সঠিকভাবে কাজ না করলে বা google search console-এ সাইট ম্যাপ
সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে নতুন পোস্ট আবিষ্কারে বিলম্ব হতে পারে।
১১। পোস্টের URL পরিবর্তন বা ভুল Redirect
পোস্ট পাবলিশ করার পর URL পরিবর্তন করা হলে পুরনো ও নতুন URL-এর মধ্যে সমস্যা
তৈরি হতে পারে। ভুল Redirect, 404 Error বা একাধিক Redirect থাকলেও google-এর
crawling ও indexing প্রভাবিত হতে পারে।
১২। Server বা Page Loading সমস্যা
Googlebot যখন আপনার পোস্ট Crawl করতে আসে তখন পেজ বারবার Server Error, Timeout
বা অন্য কোন টেকনিক্যাল সমস্যায় পড়লে ক্রলিং বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
১৩। মোবাইল ও পেজ এক্সপেরিয়েন্স সমস্যা
বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ মোবাইল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাই ব্লগের পেজ
যদি মোবাইলে ঠিকভাবে কাজ না করে অত্যন্ত ধীরগতির হয় বা ব্যবহারকারীর জন্য খারাপ
অভিজ্ঞতা তৈরি করে তাহলে সামগ্রিক পারফরম্যান্স ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
১৪। অতিরিক্ত এআই জেনারেটেড বা নিম্নমানের কনটেন্ট
এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করা নিজে থেকেই ইনডেক্সিং এর কারণ নয়। কিন্তু এআই
ব্যবহার করে যদি বিপুল পরিমাণে একই ধরনের অগভীর, পুনরাবৃত্তিমূলক বা পাঠকের জন্য
মূল্যহীন কন্টেন্ট প্রকাশ করা হয় তাহলে সার্চ পারফরম্যান্স খারাপ হতে
পারে। তাই AI ব্যবহার করলেও কনটেন্টে নিজস্ব তথ্য, অভিজ্ঞতা, উদাহরণ ও যথাযথ
সম্পাদনা থাকা উচিত।
১৫। গুগলের কাছে পোস্টটি এখনো নতুন
সব টেকনিক্যাল বিষয় ঠিক থাকার পরও নতুন পোস্ট ইনডেক্স হতে কিছুটা সময় লাগতে
পারে। তাই পোস্ট পাবলিশ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইনডেক্স না হলে সঙ্গে
সঙ্গে সমস্যা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
গুরুত্বপূর্ণঃ একটি পোস্ট ইনডেক্স না হওয়া এবং গুগল সার্চে ভালো র্যাঙ্ক না করা
দুটি আলাদা বিষয়। একটি পোস্ট ইনডেক্স হওয়ার পরও সেটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর
জন্য সার্চ রেজাল্ট এর অনেক নিচে থাকতে পারে।
Google-এ Blogger Post Index হয়েছে কিনা কীভাবে বুঝবেন
Google-এ Blogger Post Index হয়েছে কিনা কিভাবে বুঝবেন? এটি জানার জন্য প্রথমে
গুগল সার্চ এ আপনার পোস্টটি খুজে দেখতে পারেন। পোষ্টের সম্পূর্ণ টাইটেল
অথবা সাইট অপারেটর ব্যবহার করে সার্চ করলে পোস্টটি google সার্চ রেজাল্টে
রয়েছে কিনা তার একটি ধারণা পাওয়া যায়। যেমন google সার্চ এ লিখতে
পারেনঃ
site:yourdomain.com
অথবা নির্দিষ্ট পোস্ট খুঁজতে পোস্টের টাইটেল এর সঙ্গে আপনার ব্লগের ডোমেইন
ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনার পোস্ট সার্চ রেজাল্টে দেখা যায় তাহলে সেটি
গুগলের ইনডেক্সে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শুধু গুগল সার্চ রেজাল্ট দেখে
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। কারণ search রেজাল্টে কোন পোস্ট না দেখা
গেলেই যে সেটি ইনডেক্স হয়নি এমনটাও সব সময় নয়।
আরো নির্ভরযোগ্য ভাবে নিশ্চিত হতে google সার্চ কনসোল এর URL Inspection Tool
ব্যবহার করতে হবে। সেখানে URL is on Google দেখালে পোস্টটি ইনডেক্স হয়েছে বলে
নিশ্চিত হওয়া যায় আর URL is not on Google দেখালে পোস্টটি বর্তমানে গুগল
সার্চ ইনডেক্সে নেই বোঝা যায়।
Google Search Console দিয়ে ইনডেক্স স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম
Google Search Console দিয়ে ইনডেক্স স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম জানতে হলে
শুধু ইউ আর এল ইন্সপেকশন করা নয় সেখানে গুগল যে বিভিন্ন তথ্য দেখায় সেগুলো
বুঝতে হবে । কারণ সার্চ কন্ট্রোল এর রিপোর্ট থেকে শুধু পোস্ট ইনডেক্স
হয়েছে কিনা তা নয়, গুগল পোস্টটি ট্রোল করেছে কিনা, কেন ইনডেক্স
হয়নি এবং কোন টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে কিনা এসব বিষয়েও জানা যায়।
ব্লগার এ পোস্ট পাবলিশ করার পর সেটি গুগলের সার্চ ইনডেক্সে যুক্ত হয়েছে কিনা,
তা কয়েকটি সহজ উপায়ে পরীক্ষা করা যায়। এর মধ্যে গুগল সার্চ কনসোল এর URL
Inspection Tool সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
Google Search Console-এর URL Inspection দিয়ে পরীক্ষা করুন
গুগল সার্চ কনসোল এ গিয়ে আপনার ব্লগার ব্লগের প্রপার্টি নির্বাচন করুন এরপর
উপরের ইউআরএল ইন্সপেকশন বক্সে পোষ্টের সম্পূর্ণ ইউআরএল লিখে Enter চাপুন। এরপর
উপরের
- URL is on Google দেখুন
যদি URL Inspection করার পর URL is on Google লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝবেন
আপনার পোস্টটি Google-এর Index-এ রয়েছে।
- URL is not on Google দেখালে কী বুঝবেন
যদি URL is not on Google দেখা যায়, তাহলে পোস্টটি বর্তমানে Google Search
Index-এ নেই।
- Crawled- currently not indexed রিপোর্ট দেখুন
Search Console- এ যদি Crawled- currently not indexed দেখা যায়, তাহলে Google
আপনার পোস্টটি Crawl করেছে, কিন্তু বর্তমানে সেটিকে Index করেনি।
- Discovered - currently not indexed রিপোর্ট দেখুন
এটি দেখালে Google আপনার URL সম্পর্কে জানতে পেরেছে, কিন্তু এখনো পোস্টটি Crawl
করেনি।
- Blocked by robots.txt দেখুন- এটি দেখালে robots.txt এর কারনে গুগল ক্রল করতে পারছে না।
-
Excluded by noindex tag দেখুন - এটি দেখালে বুঝবেন Noindex
নির্দেশনার কারণে পোস্টটি ইনডেক্স করা হচ্ছে না।
এছাড়াও Last crawl, Crawling allowed?, Indexing allowed? এবং Google-selected
canonical এর মত তথ্য দেখে বোঝা যায় গুগল আপনার পোস্টটিকে কিভাবে দেখছে।
Indexing Status পরীক্ষা করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। পোস্ট Index না হলে
Search Console-এর রিপোর্ট অনুযায়ী Content, Sitemap, Internal Link,
Robots.txt ও অন্যান্য Technical বিষয় পরীক্ষা করতে হবে।
প্রয়োজনে Request Indexing করুন
কোন সমস্যা থাকলে সেই তথ্য অনুযায়ী সমাধান করে প্রয়োজনে URL Inspection থেকে
Request Indexing অপশন পাওয়া গেলে সেটিতে ক্লিক করে Google-কে URLটি আবার
Crawl করার অনুরোধ করা যেতে পারে।
মনে রাখবেন Google-এ পোস্ট Index হয়েছে মানে সেটি Search Result-এর প্রথম
পেজে Rank করবে এমন নয়। Indexing হল Google এর Index এ পোস্ট যুক্ত হওয়া,
আর Ranking হল নির্দিষ্ট Keyword এর জন্য সার্চ রেজাল্ট এ পোস্টটির অবস্থান।
Request Indexing কিভাবে করবেন
Request Indexing হলো গুগল সার্চ কনসোল এর মাধ্যমে গুগলকে কোন নতুন বা আপডেট
করা ব্লগার পোস্ট ক্রল করে দেখার জন্য অনুরোধ করার একটি পদ্ধতি। কোন পোস্ট
এখনো গুগলের ইনডেক্সে না থাকলে এই অপশনটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
Request Indexing করার নিয়ম-
গুগল সার্চ কনসোলে প্রবেশ করুনঃ Google Search Consol- এ প্রবেশ করে আপনার ব্লগার ব্লগ এর সঠিক প্রোপার্টি নির্বাচন করুন।
পোষ্টের URL Inspection করুনঃ উপরের Inspect Any URL বক্সে যে ব্লগার
পোস্টটি ইন্ডেক্স করাতে চান সেই পোষ্টের সম্পূর্ণ ইউআরএল পেস্ট করে এন্টার চাপুন।
Indexing Status দেখুনঃ Google URL পরীক্ষা করার পর যদি Url is
not on Google দেখায় তাহলে পোস্টটি বর্তমানে গুগলের ইনডেক্সে নেই।
Request Indexing এ ক্লিক করুনঃ URL Inspection- এর ফলাফলে Request Indexing অপশন থাকলে
সেটিতে ক্লিক করুন। এরপর Google URL টি আবার ক্রল করার অনুরোধ গ্রহণ করবে
Request সম্পন্ন হওয়ার জন্য অপেক্ষা করুনঃ কিছুক্ষণ অপেক্ষা
করার পর রিকোয়েস্ট সম্পন্ন হলে কনফার্মেশন মেসেজ দেখতে পাবেন এরপর সার্চ কনসোল
থেকে বের হয়ে যেতে পারেন।
Blogger Sitemap Google Search Console এ সাবমিট করার নিয়ম
Blogger Sitemap Google কে আপনার ব্লগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ URL সম্পর্কে জানতে
সাহায্য করে বিশেষ করে নতুন পোস্ট গুলো google এর কাছে আবিষ্কার হওয়ার ক্ষেত্রে
সাইট ম্যাপ সহায়ক হতে পারে। তাই ব্লগার ব্লগ তৈরি করার পর গুগল
সার্চ কনসোল- এ সাইটম্যাপ সঠিকভাবে সাবমিট করে রাখা ভালো। ব্লগার সাইটম্যাপ
Google Search Console এ সাবমিট করা মানে হল আপনার ব্লগের পোস্ট ও পেজগুলো
গুগলের কাছে সহজে পৌঁছে দেয়ার জন্য Sitemap যুক্ত করা।
প্রথমে Google Search Console-এ আপনার ব্লগার সাইটটি নির্বাচন করে Sitemaps
অপশনে যেতে হবে। সেখানে সাইট ম্যাপ হিসেবে সাধারণত sitemap.xml লিখে সাবমিট
করতে হয়। সফলভাবে সাবমিট হলে গুগল ধীরে ধীরে আপনার ব্লগের গুরুত্বপূর্ণ পেজ
ও পোস্টগুলো ক্রল করার সুযোগ পায়।
তবে Sitemap সাবমিট করলেই যে সব পোস্ট সঙ্গে সঙ্গে google এ ইনডেক্স হবে এমন
নয়। পোষ্টের মান, অভ্যন্তরীণ লিংক, রোবটস ডট টিএক্সটি
(Robots.txt) এবং নোইনডেক্স (Noindex) সেটিংস সহ অন্যান্য বিষয়ও ইনডেক্সিং এর
উপর প্রভাব ফেলে।
Robots.txt-এর ভুল সেটিং ঠিক করার উপায়
Robots.txt-এর ভুল সেটিং ঠিক করার উপায় হলো প্রথমে বুঝে নেওয়া কোন পেজ
গুগলকে ক্রল করতে দেওয়া হচ্ছে এবং কোনগুলো বাধা দেওয়া হচ্ছে। ভুলভাবে
Disallow ব্যবহার করলে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট বা পেজ গুগলের ক্রল থেকে বাদ পড়তে
পারে। তাই Blogger-এর Default Robots.txt ঠিকভাবে কাজ করলে শুধু Indexing
সমস্যা হয়েছে বলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এটি পরিবর্তন না করাই নিরাপদ।ম /
Blogger-এর Robots.txt সেটিং পরিবর্তন করার আগে অপ্রয়োজনীয় ভাবে কোন
গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্লক করা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা জরুরী। বিশেষ করে
পুরো সাইট ক্রল করা বন্ধ করে দেয় এমন ভুল নির্দেশনা থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করতে
হবে।
সঠিক Robots.txt-এর উদ্দেশ্য হল গুগলকে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট ক্রল করতে দেওয়া এবং
অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম বা নির্দিষ্ট অংশ থেকে দূরে রাখা। তাই না বুঝে কোন
নির্দেশনা যোগ না করে সেটিং পরিবর্তন করা উচিত।
Custom Robots Header Tags সঠিকভাবে সেট করার নিয়ম
Custom Robots Header Tags সঠিকভাবে সেট করার নিয়ম হলো কোন পেজ গুগলে
ইনডেক্স হবে এবং কোন পেজ গুগলে ইনডেক্স হবে না করাই ভালো তা সঠিকভাবে নির্ধারণ
করা। গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ও পেজে ভুল ভাবে নো ইনডেক্স (Noindex) সক্রিয়
থাকলে সেগুলো গুগলের অনুসন্ধান ফলাফলে নাও আসতে পারে।
সাধারণত ব্লগ পোস্ট ও গুরুত্বপূর্ণ পেজ এর ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ভাবে নো ইনডেক্স
(Noindex) ব্যবহার করা উচিত নয় । অন্যদিকে এমন কিছু পেজ থাকতে পারে যেগুলো
গুগলে দেখানোর প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশনা ব্যবহার
করা যেতে পারে।
এই সেটিং পরিবর্তনের সময় প্রতিটি অপশনের কাজ বুঝে নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে নো ইনডেক্স (Noindex) বা নো ফলো(Nofollow) ভুলভাবে সক্রিয় করলে
কনটেন্টের ইনডেক্সিং ও লিঙ্ক অনুসরণের উপর প্রভাব পড়তে পারে।
Noindex Tag সমস্যা শনাক্ত ও সমাধান
Noindex Tag সমাধান করার জন্য প্রথমে দেখতে হবে নির্দিষ্ট পোস্ট বা পেজে
গুগলকে ইনডেক্স না করার নির্দেশনা দেওয়া আছে কিনা। Google Search
Console-এর URL Inspection ব্যবহার করে ওই পেজের ইনডেক্সিং অবস্থা পরীক্ষা
করা যায়। এতে সমস্যার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
যদি গুরুত্বপূর্ণ কোন পোস্টে ভুল ভাবে Noindex যুক্ত থাকে তাহলে ব্লগারের Custom
Robots Header Tags এবং সংশ্লিষ্ট সেটিং পরীক্ষা করতে হবে। ভুল নির্দেশনা
থাকলে সেটির সংশোধন করার পর গুগলকে পেজটি আবার ক্রল করার সুযোগ দিতে হবে।
তবে Noindex সরিয়ে দিলেই পোস্ট সঙ্গে সঙ্গে গুগলে দেখা যাবে না। গুগলকে
নতুন পরিবর্তনটি সনাক্ত করে পেজটি পুনরায় ক্রল ও ইনডেক্স করতে কিছুটা সময় লাগতে
পারে। তাই সংশোধনের পর Search Console থেকে আবার পরীক্ষা করা উচিত।
Canonical Tag সমস্যার কারণ ও সমাধান
Canonical Tag সমস্যার কারণ ও সমাধান বুঝতে হলে আগে জানতে হবে একই বা কাছাকাছি
ধরনের একাধিক URL থাকলে google কোন URL টিকে মূল সংস্করণ হিসেবে বিবেচনা করবে তা
Canonical Tag এর মাধ্যমে জানানো হয়। ভুল ইউআরএল কে
Canonical হিসেবে নির্ধারণ করলে গুরুত্বপূর্ণ পেজও ইনডেক্স নাও হতে পারে।
সাধারণত ভুল Canonical URL, একাধিক পেজে একই Canonical ব্যবহার বা এমন ইউআরএলকে
Canonical করা যা সঠিকভাবে কাজ করছে না- এসব কারণে সমস্যা তৈরি হতে পারে। Google
Search Console-এর URL Inspection থেকে কোন পেজের নির্বাচিত Canonical এবং
ব্যবহারকারীর নির্ধারিত Canonical মিলছে কিনা তা পরীক্ষা করা যায়।
সমস্যা থাকলে গুরুত্বপূর্ণ পেজের সঠিক ইউআরএলকে Canonical হিসেবে নির্ধারণ
করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় বা ভুল নির্দেশনা সরিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি একই
কন্টেন্টের একাধিক URL থাকলে সেগুলোর কাঠামো ঠিক করা জরুরী, যাতে গুগল সহজেই মূল
পেজটি বুঝতে পারে।
ডুপলিকেট কনটেন্টের কারণে ইনডেক্স না হলে করণীয়
ডুপলিকেট কন্টেন্টের কারণে ইনডেক্স না হলে করনীয় হল প্রথমে একই বা খুব কাছাকাছি
কন্টেন্ট একাধিক ইউআরএল-এ রয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা। একই ধরনের কন্টেন্ট
বারবার থাকলে গুগল সব ইউআরএল আলাদাভাবে ইনডেক্স করার পরিবর্তে একটি ইউআরএল কে
বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে পারে।
এ ধরনের সমস্যা হলে কোন URL টি মূলপেজ হিসেবে রাখা হবে তা নির্ধারণ করতে
হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক পেজে Canonical Tag ব্যবহার
করা, অপ্রয়োজনীয় ডুপ্লিকেট পেজ সরিয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত
পুনঃনির্দেশ ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে শুধু লেখা সামান্য পরিবর্তন করে একই কন্টেন্ট বিভিন্ন পেজে প্রকাশ করা ভালো
সমাধান নয়। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পেজে আলাদা ও মূল্যবান তথ্য দেওয়ার
চেষ্টা করতে হবে, যাতে ব্যবহার কারীর জন্যও কনটেন্টের আলাদা উপযোগিতা
থাকে।
নিম্নমানের কনটেন্ট কিভাবে উন্নত করবেন
নিম্নমানের কনটেন্ট কিভাবে উন্নত করবেন তা বুঝতে হলে প্রথমে দেখতে হবে লেখাটি
পাঠকের প্রশ্নের যথেষ্ট উত্তর দিচ্ছে কিনা। খুব
ছোট, অসম্পূর্ণ, অতিরিক্ত সাধারণ বা অন্য সাইটের তথ্য সামান্য পরিবর্তন
করে তৈরি করা কন্টেন্টের মূল্য কম হতে পারে।
বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করার পাশাপাশি বাস্তব
উদাহরণ, পরিষ্কার ব্যাখ্যা এবং ব্যবহারকারীর কাজে লাগে এমন পরামর্শ দিতে
হবে। একই কথা বারবার না লিখে প্রতিটি অংশে নতুন ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দেওয়াও
গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু Search ইঞ্জিনের কথা লেখা না করে পাঠকের সুবিধা কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ,
শিরোনাম, উপশিরণাম, অনুচ্ছেদ এবং প্রয়োজনীয় তালিকা ব্যবহার করে
লেখাকে সহজবদ্ধ করলে পাঠক দীর্ঘ সময় ধরে কনটেন্ট এ থাকতে আগ্রহী হবে।
Internal Linking দিয়ে দ্রুত ইনডেক্স হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর উপায়
Internal Linking দিয়ে দ্রুত ইন্ডেক্স হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর
উপায় হল একটি পেজের সঙ্গে একই সাইটের অন্য প্রাসঙ্গিক পেজের লিংক যুক্ত
করা। এতে ব্যবহারকারী সহজে সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পায় এবং google এর ক্রলারও
সাইটের বিভিন্ন পেজের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে পারে।
নতুন পোস্ট প্রকাশ করার সময় পুরনো প্রাসঙ্গিক পোস্ট থেকে নতুন পোস্টের লিংক
দেওয়া যেতে পারে। একইভাবে নতুন পোস্ট থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ
পুরনো পোস্টের লিংক যুক্ত করলে সাইটের কনটেন্টের মধ্যে একটি ভালো সংযোগ তৈরি
হয়।
তবে শুধু বেশি লিংক দেওয়াই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; প্রাসঙ্গিক ও স্বাভাবিক
ইন্টার্নাল লিংকিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পেজে
দ্রুত গুগলের নজর আনা দরকার সেগুলোর দিকে সাইডের অন্যান্য সম্পর্কিত পেজ থেকে
যথাযথ লিংক দেওয়া কার্যকর হতে পারে।
Blogger Post Index হতে সাধারণত কত সময় লাগে
Blogger Post Index হতে সাধারণত কত সময় লাগে এর নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা নেই।
নতুন পোস্ট গুগলে ইনডেক্স হতে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতে
পারে। নতুন বা কম Authority এর ব্লগে সময় একটু বেশি লাগলেও ভালোভাবে Optimize
করা Website-এর পোস্ট তুলনামূলক দ্রুত ইনডেক্স হতে পারে।
Google প্রথমে পোস্টটি ক্রয় করে এবং কনটেন্ট এর মান, প্রাসঙ্গিকতা ও অন্যান্য
বিষয় বিশ্লেষণ প্রাসঙ্গিকতা ও অন্যান্য বিষয় বিশ্লেষণ করে। উপযুক্ত মনে হলে
সেটিকে সার্চ ইনডেক্সে যুক্ত করে। Google Search Console থেকে URL Inspection
করে Indexing Request করা যায়,
তবে রিকোয়েস্ট করলে সঙ্গে সঙ্গে ইনডেক্স হবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
কয়েকদিনে ইনডেক্স না হলে অযথা চিন্তার কারণ নেই। তবে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলে
Noindex, Robots.txt, Sitemap, Duplicate Content, Canonical বা Technical SEO
এর সমস্যা আছে কিনা পরীক্ষা করুন। Google Search Console থেকেই এসব সমস্যার
অনেকটাই শনাক্ত করা যায়।
Google-এ Blogger Post Index করার ১০টি কার্যকর উপায।
Google-এ Blogger Post Index করার ১০ টি কার্যকর উপায় অনুসরণ করলে নতুন পোস্ট
দ্রুত Crawl ও Index হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। প্রথমে Google Search Console-এ
Website ভেরিফাই করে Sitemap Submit করুন। নতুন পোস্ট প্রকাশের পর URL পরীক্ষা
করে প্রয়োজনে Indexing Request করুন।
পোস্টে Original ও Useful Content লিখুন এবং ব্যবহারকারীর Search Intent পূরণ
করার চেষ্টা করুন। Title, Heading, Meta Description, Keyword, Image Alt Text
এবং Internal Linking সঠিকভাবে Optimize করুন। একই সঙ্গে Keyword Stuffing ও
অপ্রয়োজনীয় Content এড়িয়ে চলুন।
Website-এর Technical SEO-ও ঠিক রাখতে হবে। Robots.txt, Robots Meta Tag,
Canonical, Broken Link, Mobile Usability এবং Page Loading-এর সমস্যা পরীক্ষা
করুন। নিয়মিত ভালো কনটেন্ট প্রকাশ এবং প্রাসঙ্গিক ইন্টারনাল লিংক তৈরি করলে
Google-এর জন্য ওয়েবসাইট ক্রল করা সহজ হয়।
সব চেষ্টা করার পরও Google-এ Blogger Post Index না হলে কি করবেন
সব চেষ্টা করার পরও Google-এ Blogger Post Index না হলেও কি করবেন - প্রথমে
Google Search Console-এর URL Inspection Tool দিয়ে URL পরীক্ষা করুন। এবং
গুগল সেটি ক্রল করেছে কিনা তা জানা যাবে। Crawled - currently not indexed বা
Discovered - currently not indexed হলে সেই স্ট্যাটাস এর কারণ বুঝে ব্যবস্থা
নিতে হবে।
গুগল যদি URL ক্রল করতে না পারে, তাহলে Robots.txt, Robots Meta Tag, Sitemap ও
Canonical Setting পরীক্ষা করুন। ক্রল করার পরও ইনডেক্স না হলে কন্টেন্টের
কোয়ালিটি অরিজিনালিটি এবং স্যার যাচাই করুন। ডুপ্লিকেট বা খুব কাছাকাছি ধরনের
কনটেন্ট থাকলেও গুগল সেটি ইনডেক্স নাও করতে পারে।
সমস্যা ঠিক করার পর আবার ইনডেক্সিং রিকুয়েস্ট করা যেতে পারে। তবে একই URL
বারবার রিকোয়েস্ট করলেই দ্রুত ইনডেক্স হবে এমন নয়। কন্টেন্ট উন্নত করা,
ইন্টার্নাল লিংক যোগ করা এ এবং টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান করাই বেশি কার্যকর।
দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে Search Console-এর Page Indexing Report দেখে কারণ
অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।
শেষ কথাঃ Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না? কারণ ও সম্পূর্ণ সমাধান
Google-এ Blogger Post Index হচ্ছে না কারণ ও সম্পূর্ণ সমাধান পোস্ট ইনডেক্স না
হওয়ার অন্যতম কারণ হলো Noindex, ভুল Robots.txt, Sitemap সমস্যা, ডুপলিকেট
কন্টেন্ট, দুর্বল কন্টেন্ট বা Canonical Error। নতুন ওয়েবসাইট এর কম অথরিটি
এবং দুর্বল ইন্টার্নাল লিংকিং এর কারনেও ইনডেক্সিং ধীর হতে পারে। তাই প্রথমেই
সমস্যার সঠিক কারণ খুঁজে বের করা জরুরী।
সমাধানের জন্য Google Search Console-এ URL Inspection করে স্ট্যাটাস ও কারণ
দেখুন। এরপর Robots.txt, Robots Meta Tag, Sitemap এবং Canonical পরীক্ষা করুন।
পাশাপাশি কনটেন্ট আরও অরিজিনাল, তথ্যবহুল ও সার্চ ইনটেন্ট অনুযায়ী তৈরি করে
প্রাসঙ্গিক ইন্টার্নাল লিঙ্ক যোগ করুন।
মনে রাখতে হবে, পোস্ট ইনডেক্স হওয়া আর গুগল এ ভালো র্যাংকিং পাওয়া এক বিষয়
নয়। Indexing এর মানে গুগল আপনার পেজকে সার্চ ইনডেক্সে যুক্ত করেছে, আর
র্যাংকিং নির্ভর করে Content Quality, Relevance, Competition, Authority ও
বিভিন্ন SEO Signal এর উপর। তাই নিয়মিত ভালো কনটেন্ট এবং সঠিক Technical SEO
বজায় রাখাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।


jkumeducationit.com# নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url